
দুপুরের পর থেকেই সন্ধ্যে নেমে এল।জিপটা বেশ জোরেই চলছে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে...যদিও এই এবড়োখেবড়ো রাস্তায় মাথা ঝাঁকিতে ঠেকে যাচ্ছে জিপের হুডে।আর জিপের ভেতরে জমাট বেঁধে আসছে অন্ধকার...জানলায় ঝড়ের বেগে সরে যাচ্ছে কালচে সবুজ অরণ্য।সামনের কাঁচে অল্প রিফ্লেকসন সূর্যের।। ড্রাইভার এর হাতের ফাঁকের মধ্যে দিয়েও সবুজের ছায়া।
আমি বেঁকেচুরে জানলা দিয়ে হাফ দেহ বারকরে জঙ্গলের ছবি তুলে যাছচি।আলো ক্রমে কমে আসছে।
জিপটা সমানেই ঘুরে ঘুরে চলছে জঙ্গলের বাঁকে । অনেকক্ষণ ধরেই চলছি এই গলিপথে।
অনেক দূর চলে আসলে... মানে লোকালয় থেকে... একটু একটু ভয়ই লাগে!!
ম-মানে ভ-ভয় না।। ওই যদি গাড়ি খারাপ টারাপ হয়ে পরে!!!মানে রাত বিরেতে !!!
আর এতটা পথ চলে আসার পর...
আরও কিছু দূর যাওয়ার পর একটা ফাঁকা গোলাকার টিলার ওপর জিপটা এসে দাঁড়াল।সামনে ঢালু হয়ে কিছুদুরে রাস্তাটা নীচু হয়ে গেছে অনেকটা । তারপর আবার উঠে গেছে অনেকটাই।
ওই উঠে যাওয়া রাস্তার ওপরে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাইসনের পাল।সে একটা দূটো নয়... প্রচুর।
আমাদের জীপটা ওখানেই হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে পরলামই নামলাম ... মাম নামল... লাল্টু নামল।
(এবার বোঝা গেল যে আমরা ৩জন গিয়েছিলাম)
তারপর জিপের মাথায় উঠে বসলাম...