Friday, January 27, 2012

বনবিবির বনে...

বনবিবির পালা এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা।
হাজার বছর পুরনো ...এত সরল সোজা এক গল্প এখনও বাস্তবিক এখনও গ্রহণযোগ্য।
যদিও গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন নয়ই ...শুধু এক যাত্রা ...সময় ধরে।
বনবিবির পালা জলজঙ্গলের মহাকাব্য ।
এত সব মন্তব্য করে এখন একটু শান্তি পাচ্ছি। সন্ধে রাতে রিসোর্ট এ বসে যাত্রা দেখার অভিজ্ঞতা অনবদ্য ।যারা ওখানে আমাদের রুম সার্ভিস দিচ্ছিল তারাই কেউ বাঘ...কেউ মাঝি সেজে বনবিবির পালা অভিনয় করছিল। আর সে অভিনয় এককথায় অনবদ্য ।



বনবিবির পালার গল্পটা এই ছবিতে দিচ্ছি সংক্ষেপে

Wednesday, January 18, 2012

অরন্যে






দুপুরের পর থেকেই সন্ধ্যে নেমে এল।জিপটা বেশ জোরেই চলছে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে...যদিও এই এবড়োখেবড়ো রাস্তায় মাথা ঝাঁকিতে ঠেকে যাচ্ছে জিপের হুডে।আর জিপের ভেতরে জমাট বেঁধে আসছে অন্ধকার...জানলায় ঝড়ের বেগে সরে যাচ্ছে কালচে সবুজ অরণ্য।সামনের কাঁচে অল্প রিফ্লেকসন সূর্যের।। ড্রাইভার এর হাতের ফাঁকের মধ্যে দিয়েও সবুজের ছায়া।
আমি বেঁকেচুরে জানলা দিয়ে হাফ দেহ বারকরে জঙ্গলের ছবি তুলে যাছচি।আলো ক্রমে কমে আসছে।
জিপটা সমানেই ঘুরে ঘুরে চলছে জঙ্গলের বাঁকে । অনেকক্ষণ ধরেই চলছি এই গলিপথে

অনেক দূর চলে আসলে... মানে লোকালয় থেকে... একটু একটু ভয়ই লাগে!!
ম-মানে ভ-ভয় না।। ওই যদি গাড়ি খারাপ টারাপ হয়ে পরে!!!মানে রাত বিরেতে !!!
আর এতটা পথ চলে আসার পর...
আরও কিছু দূর যাওয়ার পর একটা ফাঁকা গোলাকার টিলার ওপর জিপটা এসে দাঁড়াল।সামনে ঢালু হয়ে কিছুদুরে রাস্তাটা নীচু হয়ে গেছে অনেকটা । তারপর আবার উঠে গেছে অনেকটাই।

ওই উঠে যাওয়া রাস্তার ওপরে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাইসনের পাল।সে একটা দূটো নয়... প্রচুর।
আমাদের জীপটা ওখানেই হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে পরলামই নামলাম ... মাম নামল... লাল্টু নামল।
(এবার বোঝা গেল যে আমরা ৩জন গিয়েছিলাম)


তারপর জিপের মাথায় উঠে বসলাম...